স্টাফ রিপোর্টারঃ
পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির চেয়ারপার্সন এর উপদেষ্টা এবং পাবনা জেলা বিএনপির আহবায়ক হাবিবুর রহমান হাবিব আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচারণা শুরু করেছেন।
আসন্ন এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তিনি এ প্রচারণা শুরু করেন।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দিনব্যাপী শহরের পোষ্ট অফিস মোড় থেকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট চেয়ে তিনি প্রচারণা শুরু করেন। সেখান থেকে তিনি ঈশ্বরদী-পাবনা সড়ক হয়ে রেলগেট ঘুরে ঈশ্বরদী বাজারে যান। বাজারের প্রতিটি দোকানে দোকানে যান তিনি। এ সময় ধানের শীষ সম্বলিত লিফলেট প্রত্যেকের হাতে তুলে দেন তিনি এবং তাদের কাছে ভোট চান। নির্বাচনি প্রচারণার সময় সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা যায়।
এর আগে প্রচারণা শুরুর সময় হাবিবুর রহমান হাবিব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বলেন, যারা বিএনপি’র চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে চ্যালেঞ্জ করে , তারা কখনোই বিএনপি করতে পারেনা । তিনি জয়ী হলে ঈশ্বরদী থেকে সম্পূর্ণ মাদক মুক্ত, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মুক্ত করবে ।
বেগম খালেদা জিয়ার কবরের মাটি এখনো শুকায় নাই, তারেক রহমান দেশে এসেছে, ছোটবেলা বাবাকে হারিয়েছে, ভাইকে হারিয়েছে, মার সঙ্গে একবেলা টেবিলে বসে ভাত খেতে পারি নাই, মাকে আম্মা বলে ডাক দিয়েছে, মা কথার জবাব দিতে পারি নাই, এমত: অবস্থায় সারা বাংলাদেশের মানুষ যেখানে তারেক রহমানের প্রতি বিশ্বাস রেখে দেশ গড়বে বলে ,দেশের মানুষ এক জায়গায় হয়েছে, তারেক রহমানের আগমনে ৩০০ ফুটে যেখানে শুধু বিএনপি যাই নাই ,সাধারণ লক্ষ লক্ষ মানুষ এক জায়গায় হয়েছে, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতেও যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ হয়েছে, শুধু তারেক রহমানের জন্য । আর সেই তারেক রহমানকে যারা চ্যালেঞ্জ করে, তারা জীবনেও আর বিএনপি করতে পারবে না ।
তিনি আরো বলেন,বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনী বিষয়ে যেভাবে নিদের্শনা দিয়েছেন, সেই নির্দেশনা মেনে কাজ করে যাবো। বিজয় সুনিশ্চিত উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইনশাল্লাহ জয়ী হয়ে পাবনা-৪ আসনটি তারেক রহমানকে উপহার দেব।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আহসান হাবিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মাহবুবুর রহমান পলাশ, ঈশ্বরদী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক, জিয়াউল ইসলাম সন্টু সরদার, সাবেক সদস্য সচিব আজমল হোসেন সুজন, সাবেক চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান, হাক্কে মন্ডল,ঈশ্বরদী উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলাম তুহিন, পৌর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম, পৌর বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আজমল হোসেন ডাবলু, বিএনপি নেতা আব্দুস সামাদ সুলভ মালিথা, তুহিন চৌধুরী,উপজেলা মহিলা দলের আহ্বায়ক রোকেয়া হাসেম, ঈশ্বরদী সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি রেজাউল করিম শাহীন, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ভাষা প্রামানিক, সাধারণ সম্পাদক ছবি মন্ডল, সহ-সভপতি মাসুদ রানা নয়ন, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সুলতান আলী বিশ্বাস টনি, সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম রকি, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ইমরুল কায়েস সুমন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানবীর হাসান সুমন, কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম নয়ন, পৌর সেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আওয়াল কবীর, বিএনপি নেতা খোরশেদ আলম দিপু, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকদলের যুগ্ম আহ্বায়ক বিপুল হোসেন বুদু, সাবেক ছাএনেতা যুবায়ের হোসেন বাপ্পি, কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি খালেদ বিন পার্থিব, সাধারণ সম্পাদক রিয়ামুল ইসলাম রিয়াম, সাবেক ছাত্রনেতা সাইফ হাসান সেলিম, রাকিবুল হাসান আলম, আকরাম রায়হান বাবু, মাইনুল হাসান সোহান, পৌর যুবদল নেতা মোশারফ হোসেন, আতিকুর রহমান তারা, জসিম শেখ, রাজু আহমেদ, ছাত্রদল নেতা হাসিবুর রহমান ইমন, ইমরান হোসেন পবনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সমর্থকরা ।





